১১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নবীনগরে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে নিহত ১ সঞ্জ শীল, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি : মোবাইল – 01784 503 770 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের থোল্লাকান্দি গ্রামে গত কাল বিকালে (০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) স্থানিয় খেলার মাঠে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটি জের ধরে মুস্তাকিম মোরাদ (১৫) কে ছু্রিকাঘাতে হত্যা করেছে একই গ্রামের কামরুল ইসলামের ছেলে ফাহিম (১৫)। জানা যায়, ফাহিমের সাথে মোবারকের (১২) ফুটবল খেলায় কথা কাটাকাটি হলে মোবারকের বড় ভাই মুস্তাকিম জানতে পেরে ফাহিমকে ধমক দিলে, ফাহিম উত্তেজিত হয়ে সাথে থাকা ছুরি দিয়ে মুস্তাকিম মোরাদদের বুকে আঘাত করে। এতে রক্তক্ষরণ হয়ে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। সলিমগঞ্জ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই কামরুল ইসলাম, ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে উপরোক্ত বর্ণনা দেন। নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

নবীনগরের বৃদ্ধ অসহায় আমেনার জীবন যুদ্ধ গল্পকেও হার মানায় সঞ্জয় শীল, নবীনগর ( ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের জল্লী-কান্দি গ্রামের অসহায় মা আমেনা খাতুন। মানসিক প্রতিবন্ধী একমাত্র ছেলে আল-আমিনের নেই রুটি-রোজগার। মাঝে-সাঁঝে দিন-মজুরের কাজ করলেও প্রত্যন্ত গ্রামে থাকে না তার কোন কাজ। এছাড়া মানসিক সমস্যার কারনে কেউ তাকে কোন কাজেও নিতে চান না। মাঝে মধ্যে সেও কোথায় জানি উদাও হয়ে যান। তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায় না। আমেনা খাতুনের স্বামী আহসানউল্লাহ বয়সের বাড়ে নতজানু। আমেনা খাতুনের ভিক্ষার চালে চলে তাদের সংসার। যৌবনে একমাত্র ছেলেকে বিয়ে করিয়েছিলেন। দিন দিন ছেলের মানসিক অবস্থা খারাপ হতে থাকলে বউও তাকে রেখে চলে যান অন্যত্র। জানা যায়, অভাবের কারনে অন্যের বাড়িতে থেকে কাজ করেন তার ছেলের বউ। আমেনা আর তার স্বামী আহসানউল্লাহ থাকেন ছোট্ট একটি ঘরে। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ছোট্ট একটি পাতিলে খোলা জায়গায় ভাতের সাথে শিম সিদ্ধ দিয়েছেন আমেনা খাতুন। সিদ্ধ শেষ হলেই খাবেন আমেনা খাতুন ও তার স্বামী। ভিক্ষা করতে গিয়ে পথের ধারের শিম গাছ থেকে নিয়ে এসেছিলেন শিম। তখনও বেলা প্রায় ৩ টা হয়ে গেছে। যে বাড়িটিতে উনারা বসবাস করছেন এটিতে থাকতে দিয়েছেন জায়গার মালিক। সহায়-সম্বল হিসেবে তাদের কেবল বেঁচে থাকা। আমেনা খাতুন জানান, আমি গরীব মানুষ। পোলাডা পাগল। আমি এন বুড়া জামাইডারে লইয়া থাহি। গ্রাম গ্রাম ভিক্কা কইরা যে চাল ফাই, হিডা দিয়া খাই। শইল্ অ শক্তি নাই। অহন অত ঘুরতাম ফারি না। আইয়া রান্না করি, খাই। মাইনসের বাইত ছাড়া মাছ-মাংস খাইতাম ফারি না। মানুস অ দ আমরারে বালা মাছ-মাংস দে না। জেফত অইলে যদি জুডে। লবন দিয়া ভাত খাই বেশির ভাগ। শ্যামগ্রাম টু বাঞ্ছারামপুর রোডের জল্লী-জীবনগঞ্জ লোহার ব্রীজের উত্তর পাশ দিয়ে খালের ধার ধরে কাদা মাটির পথ ধরে এগুলোই একটি ছোট্ট ভাঙ্গা টিনের ঘর। রান্না করেন খোলা জায়গায়। বাড়িটিতে গাছগাছালি ঘেরা। কোন হৃদয়বান-বিত্তবান যদি উনাদের সহযোগিতা করতে চান তাহলে সরাসরি কিংবা কোন মাধ্যমে চলে যেতে পারেন উনাদের কাছে। আশা করি, স্থানিয়দের কাছে জিজ্ঞাসা করলে দেখিয়ে দেবেন তাদেরকে।

Archive

নবীনগরে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে নিহত ১ সঞ্জ শীল, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি : মোবাইল – 01784 503 770 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের থোল্লাকান্দি গ্রামে গত কাল বিকালে (০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) স্থানিয় খেলার মাঠে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটি জের ধরে মুস্তাকিম মোরাদ (১৫) কে ছু্রিকাঘাতে হত্যা করেছে একই গ্রামের কামরুল ইসলামের ছেলে ফাহিম (১৫)। জানা যায়, ফাহিমের সাথে মোবারকের (১২) ফুটবল খেলায় কথা কাটাকাটি হলে মোবারকের বড় ভাই মুস্তাকিম জানতে পেরে ফাহিমকে ধমক দিলে, ফাহিম উত্তেজিত হয়ে সাথে থাকা ছুরি দিয়ে মুস্তাকিম মোরাদদের বুকে আঘাত করে। এতে রক্তক্ষরণ হয়ে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। সলিমগঞ্জ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই কামরুল ইসলাম, ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে উপরোক্ত বর্ণনা দেন। নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

Our Like Page

সারাদেশ

সিংড়ায় বিয়াশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিদায় ও নবীন বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মোঃ ইব্রাহিম আলী,সিংড়া (নাটোর)প্রতিনিধি: নাটোরের সিংড়ায় বিয়াশ উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়োজনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিদায় ও নবীন বরণ অনুষ্ঠান–২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দিনব্যাপী বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিংড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোছা. নাজনীন সুলতানা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চলনবিল সরকারি আইডিয়াল কলেজ, তাড়াশ, সিরাজগঞ্জের প্রভাষক মো. কামরুল হাসান। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জামাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। পাশাপাশি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গও অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এছাড়া বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয় এবং নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলে। দিনব্যাপী এ আয়োজন আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, দায়িত্ববোধ ও শিক্ষাঙ্গনের প্রতি ভালোবাসা জাগ্রত করতেই প্রতিবছর এ ধরনের আয়োজন করা হয়ে থাকে। অনুষ্ঠান শেষে দোয়া পরিচালনা করেন প্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষক মোঃ আয়েন উদ্দিন। দোয়ার মাধ্যমে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এবং নবীনদের সফল শিক্ষাজীবনের কামনা করা হয়।

বিএনপির প্রার্থী কামরুজ্জামান কামরুলের পক্ষে ভোট প্রচার শুরু আমির হোসাইন স্টাফ রিপোর্টার সুনামগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কামরুজ্জামান কামরুল ও দলীয় প্রতীক ধানের শীষের সমর্থনে প্রচারপত্র নিয়ে ভোটারদের কাছে গিয়েছেন। তাহিরপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য এবং বড়ছড়া কয়লা ও চুনাপাথর আমদানি কারক গ্রুপের সভাপতি, আলহাজ্ব মো. খসরুল আলম। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড সীমান্ত এলাকা চারাগাঁও থেকে প্রচার শুরু করে বাজার ও এলসি পয়েন্ট প্রদক্ষিণ করে শেষ করেন। এ সময়, উপজেলা বিএনপির সদস্য আলহাজ্ব মো. খসরুল আলমের নেতৃত্বে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন এবং সুনামগঞ্জ-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কামরুজ্জামান কামরুলের ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রদানের আহ্বান জানান তিনি। প্রচারণায় উপস্থিত ছিলেন, শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও চারাগাঁও কয়লা আমদানি কারক সমিতির সভাপতি হাজী মো. আব্দুস সামাদ মুন্সি এবং অন্যান্য নেতাকর্মীরা। এছাড়াও, ২নং ওয়ার্ডের বিএনপি এবং আরও অনেক নেতা-কর্মী প্রচারণায় যুক্ত ছিলেন। আলহাজ্ব মো. খসরুল আলম প্রচারের সময় বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফার আলোকে উন্নয়ন ও সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের বলেন, ‘আমি সুনামগঞ্জ-১ আসনের ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী কামরুজ্জামান কামরুলের পক্ষ থেকে এসেছি। আপনারা ধানের শীষে ভোট দেবেন।’ এ সময় আলহাজ্ব খসরুল আলমের কথা শুনে ভোটাররাও সাড়া দিয়ে বলেন, তারা ধানের শীষে ভোট দেবেন। পরিশেষে, আলহাজ্ব মো. খসরুল আলম সাধারণ ভোটারদের আহ্বান জানান কামরুজ্জামান কামরুলের ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে তাঁকে বিজয়ী করতে।
নাসিরনগরে প্রাচীন শ্রী শ্রী পাগল শংকর মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি, ১০টি বিগ্রহসহ বিপুল মালামাল লুট। মোঃ সাইফুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ফান্দাউক গ্রামে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) পরিচালিত শ্রী শ্রী পাগল শংকর মন্দিরে ২৬ জানুয়ারি দিবাগত রাতে সংঘটিত হয়েছে এক দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা। চোরেরা মন্দির থেকে ১০টি বিগ্রহ, হারমোনিয়াম, সাবমারসিবল পাম্প, নগদ অর্থসহ বিপুল পরিমাণ মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জনপ্রতিনিধিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন। মন্দিরের অধ্যক্ষ সুখদা বলরাম দাস জানান, “সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার পর চোরেরা মন্দিরে প্রবেশ করে। মন্দিরে থাকা সব বিগ্রহ তারা নিয়ে গেছে। এর মধ্যে পিতলের, পাথরের এবং একটি শ্বেত পাথরের বিগ্রহ ছিল। পাশাপাশি পিতলের থালা-বাটি, হারমোনিয়াম, পূজার সরঞ্জাম, সাবমারসিবল পাম্প, সেবায়েত এক নারীর বিধবা ভাতার টাকা এবং মন্দিরের দানবাক্সের সব অর্থ চুরি করে নিয়ে যায়। গৌর-নিতাই, রাধা-মাধব, গোপালসহ মোট ৮–১০টি বিগ্রহ চুরি হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, ভোর ৪টার দিকে প্রার্থনার জন্য মন্দিরে এসে চুরির ঘটনা জানতে পারেন এবং বর্তমানে সবাই আতঙ্কের মধ্যে আছেন। মন্দির কমিটির সেক্রেটারি স্বপন কুমার রায় বলেন, “ভোর সাড়ে চারটার দিকে সেবায়েতের ফোন পেয়ে দ্রুত মন্দিরে এসে দেখি সবকিছু এলোমেলো। চুরির ভয়াবহতা দেখে আমি হতবাক হয়ে যাই।” চুরির খবর পেয়ে নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীনা নাছরিন, নাসিরনগর থানার তদন্ত ওসি কৃষ্ণ লাল ঘোষ, সেকেন্ড অফিসার সোহেল শিকদার, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী এম এ হান্নান, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী এ কে এম কামরুজ্জামান মামুনসহ বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং জনপ্রতিনিধিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীনা নাছরিন বলেন, “খবর পেয়ে সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেখানে অবস্থান করছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। মন্দিরের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীদের শনাক্ত করে যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।” উল্লেখ্য, মুঘল আমলে বাংলা ১৩৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত শ্রী শ্রী পাগল শংকর মন্দিরটি ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ আশপাশের এলাকার কয়েক লক্ষ হিন্দু ধর্মাবলম্বীর অন্যতম প্রধান উপাসনালয়। এর আগেও ২০১৭ সালের ৪ মার্চ শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে শ্রী শ্রী গোপীনাথ জিউ মন্দির থেকে পাঁচটি পিতলের মূর্তি, একটি প্রাচীন কালো পাথরের মূর্তি, হারমোনিয়াম, করতাল এবং দানবাক্সের দেড় হাজার টাকা চুরির ঘটনা ঘটেছিল।

All Divition News

Search

রাজধানী

আন্তর্জাতিক

সংগঠন সংবাদ More News..

নবীনগরের বৃদ্ধ অসহায় আমেনার জীবন যুদ্ধ গল্পকেও হার মানায় সঞ্জয় শীল, নবীনগর ( ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের জল্লী-কান্দি গ্রামের অসহায় মা আমেনা খাতুন। মানসিক প্রতিবন্ধী একমাত্র ছেলে আল-আমিনের নেই রুটি-রোজগার। মাঝে-সাঁঝে দিন-মজুরের কাজ করলেও প্রত্যন্ত গ্রামে থাকে না তার কোন কাজ। এছাড়া মানসিক সমস্যার কারনে কেউ তাকে কোন কাজেও নিতে চান না। মাঝে মধ্যে সেও কোথায় জানি উদাও হয়ে যান। তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায় না। আমেনা খাতুনের স্বামী আহসানউল্লাহ বয়সের বাড়ে নতজানু। আমেনা খাতুনের ভিক্ষার চালে চলে তাদের সংসার। যৌবনে একমাত্র ছেলেকে বিয়ে করিয়েছিলেন। দিন দিন ছেলের মানসিক অবস্থা খারাপ হতে থাকলে বউও তাকে রেখে চলে যান অন্যত্র। জানা যায়, অভাবের কারনে অন্যের বাড়িতে থেকে কাজ করেন তার ছেলের বউ। আমেনা আর তার স্বামী আহসানউল্লাহ থাকেন ছোট্ট একটি ঘরে। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ছোট্ট একটি পাতিলে খোলা জায়গায় ভাতের সাথে শিম সিদ্ধ দিয়েছেন আমেনা খাতুন। সিদ্ধ শেষ হলেই খাবেন আমেনা খাতুন ও তার স্বামী। ভিক্ষা করতে গিয়ে পথের ধারের শিম গাছ থেকে নিয়ে এসেছিলেন শিম। তখনও বেলা প্রায় ৩ টা হয়ে গেছে। যে বাড়িটিতে উনারা বসবাস করছেন এটিতে থাকতে দিয়েছেন জায়গার মালিক। সহায়-সম্বল হিসেবে তাদের কেবল বেঁচে থাকা। আমেনা খাতুন জানান, আমি গরীব মানুষ। পোলাডা পাগল। আমি এন বুড়া জামাইডারে লইয়া থাহি। গ্রাম গ্রাম ভিক্কা কইরা যে চাল ফাই, হিডা দিয়া খাই। শইল্ অ শক্তি নাই। অহন অত ঘুরতাম ফারি না। আইয়া রান্না করি, খাই। মাইনসের বাইত ছাড়া মাছ-মাংস খাইতাম ফারি না। মানুস অ দ আমরারে বালা মাছ-মাংস দে না। জেফত অইলে যদি জুডে। লবন দিয়া ভাত খাই বেশির ভাগ। শ্যামগ্রাম টু বাঞ্ছারামপুর রোডের জল্লী-জীবনগঞ্জ লোহার ব্রীজের উত্তর পাশ দিয়ে খালের ধার ধরে কাদা মাটির পথ ধরে এগুলোই একটি ছোট্ট ভাঙ্গা টিনের ঘর। রান্না করেন খোলা জায়গায়। বাড়িটিতে গাছগাছালি ঘেরা। কোন হৃদয়বান-বিত্তবান যদি উনাদের সহযোগিতা করতে চান তাহলে সরাসরি কিংবা কোন মাধ্যমে চলে যেতে পারেন উনাদের কাছে। আশা করি, স্থানিয়দের কাছে জিজ্ঞাসা করলে দেখিয়ে দেবেন তাদেরকে।

কৃষি ও প্রকৃতি

লাইফস্টাইল

আরাফ বাংলাদেশ গণ মানুষের জন্য ভবিষ্যতেও কাজ করে যাবে: সুজন হোসেন রিফাত। 
আরাফ বাংলাদেশ গণ মানুষের জন্য ভবিষ্যতেও কাজ করে যাবে: সুজন হোসেন রিফাত।    মোঃ আলী শেখ, স্টাফ রিপোর্টার : আরাফ বাংলাদেশ গণ মানুষের জন্য ভবিষ্যতে কাজ করে যাবে এমন মন্তব্য Details..