০৫:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

একজন প্রধান শিক্ষকের উপর অমানুষিক নির্যাতনের শিকার।

Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৪৭:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৪ Time View

একজন প্রধান শিক্ষকের উপর অমানুষিক নির্যাতনের শিকার।

মোঃ ওবায়েদুর রহমান সাইদ
শরীয়তপুর প্রতিনিধি।

শরীয়তপুর জেলার অন্তর্গত নড়িয়া উপজেলার বিঝারী উপসী তারা প্রসন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, নশাসন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মাস্টার শেখ নূরুল আমীন রতন স‍্যারের উপর সন্ত্রাসীদের অতর্কিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি…হামলায় সাথে যারা জড়িত তাদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি। তিনি অপরাধ করে থাকলে তার বিচার হবে স্কুলে দুর্নীতি করে থাকলে স্কুল ম্যানেজিং কমিটি আছে তারা দেখবে একজন শিক্ষকের গায়ে হাত দেওয়া এবং অপমান করা এটা কোনভাবে মেনে নেওয়া যায় না। আমি এই স্কুলে একজন প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।এলাকার দলীয় সূত্র ধরে একজন সনামধন্য প্রধান শিক্ষকের উপর দৈহিক মানুষিক নির্যাতনের শিকার কেন হলো তার জন্য বর্তমান নব নির্বাচিত সরকারের নিকট বিচার দাবি করে এবং ভবিষ্যতে যেন আর কোন নির্যাতন নিপিড়ন জুলুম না করা হয় তার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। একজন শিক্ষক কেবল একজন ব্যক্তি নন—তিনি সমাজ গঠনের কারিগর।শিক্ষকের ওপর হামলা মানে শিক্ষাব্যবস্থা ও সামাজিক মূল্যবোধের ওপর আঘাত।
যদি কোনো অভিযোগ থেকেও থাকে তার বিচার করার জন্য রয়েছে:
স্কুল ম্যানেজিং কমিটি প্রশাসনিক তদন্ত আইন আদালত, কিন্তু দৈহিক হামলা বা অপমান কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।উপমা:বাড়ির দেয়ালে ফাটল ধরলে আমরা মেরামত করি, বাড়ি ভেঙে ফেলি না।তেমনি অভিযোগ থাকলে আইনি পথে সমাধান করতে হয়, সহিংসতার পথে নয়।আইনের দৃষ্টিতে বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে:শারীরিক হামলা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ মানহানি ও অপমানেরও আইনি প্রতিকার আছে কেউ দোষী হলে আদালত সিদ্ধান্ত দেবে আইনের শাসন” মানে—
কেউ নিজ হাতে বিচার করবে না, রাষ্ট্র ও আদালত বিচার করবে।
যদি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা ক্ষমতার প্রভাব থাকে—তাহলে বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক।
কারণ:রাজনীতি যদি সেবার বদলে প্রতিশোধের মাধ্যম হয়,তবে সমাজে অরাজকতা সৃষ্টি হয়।ইতিহাসে দেখা গেছে—যেখানে দলীয় প্রভাব আইনের ঊর্ধ্বে উঠে যায়,সেখানে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে।
বর্তমান সরকারের প্রতি প্রত্যাশা
একটি নবনির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব:আইনের শাসন নিশ্চিত করা
দলীয় প্রভাবমুক্ত তদন্ত করা
অপরাধী যেই হোক আইনের আওতায় আনা ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা
ন্যায়বিচার দ্রুত ও নিরপেক্ষ না হলে মানুষের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
দৃষ্টান্তমূলক উদাহরণ অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে—কোনো শিক্ষক বা সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে: তদন্ত কমিটি গঠন হয়, সাময়িক বরখাস্ত করা হয়
প্রমাণ সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হয়
কিন্তু হামলা করলে: অপরাধী নিজেই আইনের কাঠগড়ায় দাঁড়ায় সমাজে ভয় ও বিভাজন সৃষ্টি হয়
একজন শিক্ষক সমাজের বিবেক।
তার উপর হামলা সমাজের জন্য অশনি সংকেত।যদি তিনি দোষী হন—আইন বিচার করবে।যদি নির্দোষ হন রাষ্ট্র তার সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।আমাদের প্রত্যাশা হওয়া উচিত:সহিংসতার বদলে আইনি প্রক্রিয়া,প্রতিশোধের বদলে ন্যায়
দলীয় বিভাজনের বদলে সামাজিক ঐক্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলে শুধু একজন ব্যক্তি নয়—পুরো সমাজ নিরাপদ হয়।দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে
একজন প্রবাসী এবং উক্ত বিদ্যালয়ের একজন প্রাক্তন ছাত্র।
১৯৮৩ ব্যাচ।মোহাম্মদ বাবুল মাস্টার
প্রাক্তন সহকারী শিক্ষক
পঞ্চ পল্লী গুরুরাম উচ্চ বিদ্যালয়
নড়িয়া উপজেলা,শরীয়তপুর।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

একজন প্রধান শিক্ষকের উপর অমানুষিক নির্যাতনের শিকার।

Update Time : ০৯:৪৭:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

একজন প্রধান শিক্ষকের উপর অমানুষিক নির্যাতনের শিকার।

মোঃ ওবায়েদুর রহমান সাইদ
শরীয়তপুর প্রতিনিধি।

শরীয়তপুর জেলার অন্তর্গত নড়িয়া উপজেলার বিঝারী উপসী তারা প্রসন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, নশাসন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মাস্টার শেখ নূরুল আমীন রতন স‍্যারের উপর সন্ত্রাসীদের অতর্কিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি…হামলায় সাথে যারা জড়িত তাদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি। তিনি অপরাধ করে থাকলে তার বিচার হবে স্কুলে দুর্নীতি করে থাকলে স্কুল ম্যানেজিং কমিটি আছে তারা দেখবে একজন শিক্ষকের গায়ে হাত দেওয়া এবং অপমান করা এটা কোনভাবে মেনে নেওয়া যায় না। আমি এই স্কুলে একজন প্রাক্তন ছাত্র হিসেবে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।এলাকার দলীয় সূত্র ধরে একজন সনামধন্য প্রধান শিক্ষকের উপর দৈহিক মানুষিক নির্যাতনের শিকার কেন হলো তার জন্য বর্তমান নব নির্বাচিত সরকারের নিকট বিচার দাবি করে এবং ভবিষ্যতে যেন আর কোন নির্যাতন নিপিড়ন জুলুম না করা হয় তার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। একজন শিক্ষক কেবল একজন ব্যক্তি নন—তিনি সমাজ গঠনের কারিগর।শিক্ষকের ওপর হামলা মানে শিক্ষাব্যবস্থা ও সামাজিক মূল্যবোধের ওপর আঘাত।
যদি কোনো অভিযোগ থেকেও থাকে তার বিচার করার জন্য রয়েছে:
স্কুল ম্যানেজিং কমিটি প্রশাসনিক তদন্ত আইন আদালত, কিন্তু দৈহিক হামলা বা অপমান কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।উপমা:বাড়ির দেয়ালে ফাটল ধরলে আমরা মেরামত করি, বাড়ি ভেঙে ফেলি না।তেমনি অভিযোগ থাকলে আইনি পথে সমাধান করতে হয়, সহিংসতার পথে নয়।আইনের দৃষ্টিতে বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে:শারীরিক হামলা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ মানহানি ও অপমানেরও আইনি প্রতিকার আছে কেউ দোষী হলে আদালত সিদ্ধান্ত দেবে আইনের শাসন” মানে—
কেউ নিজ হাতে বিচার করবে না, রাষ্ট্র ও আদালত বিচার করবে।
যদি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা ক্ষমতার প্রভাব থাকে—তাহলে বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক।
কারণ:রাজনীতি যদি সেবার বদলে প্রতিশোধের মাধ্যম হয়,তবে সমাজে অরাজকতা সৃষ্টি হয়।ইতিহাসে দেখা গেছে—যেখানে দলীয় প্রভাব আইনের ঊর্ধ্বে উঠে যায়,সেখানে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে।
বর্তমান সরকারের প্রতি প্রত্যাশা
একটি নবনির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব:আইনের শাসন নিশ্চিত করা
দলীয় প্রভাবমুক্ত তদন্ত করা
অপরাধী যেই হোক আইনের আওতায় আনা ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা
ন্যায়বিচার দ্রুত ও নিরপেক্ষ না হলে মানুষের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
দৃষ্টান্তমূলক উদাহরণ অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে—কোনো শিক্ষক বা সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে: তদন্ত কমিটি গঠন হয়, সাময়িক বরখাস্ত করা হয়
প্রমাণ সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হয়
কিন্তু হামলা করলে: অপরাধী নিজেই আইনের কাঠগড়ায় দাঁড়ায় সমাজে ভয় ও বিভাজন সৃষ্টি হয়
একজন শিক্ষক সমাজের বিবেক।
তার উপর হামলা সমাজের জন্য অশনি সংকেত।যদি তিনি দোষী হন—আইন বিচার করবে।যদি নির্দোষ হন রাষ্ট্র তার সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।আমাদের প্রত্যাশা হওয়া উচিত:সহিংসতার বদলে আইনি প্রক্রিয়া,প্রতিশোধের বদলে ন্যায়
দলীয় বিভাজনের বদলে সামাজিক ঐক্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলে শুধু একজন ব্যক্তি নয়—পুরো সমাজ নিরাপদ হয়।দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে
একজন প্রবাসী এবং উক্ত বিদ্যালয়ের একজন প্রাক্তন ছাত্র।
১৯৮৩ ব্যাচ।মোহাম্মদ বাবুল মাস্টার
প্রাক্তন সহকারী শিক্ষক
পঞ্চ পল্লী গুরুরাম উচ্চ বিদ্যালয়
নড়িয়া উপজেলা,শরীয়তপুর।