১১:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নেত্রকোনা-১ আসনে ভোটের হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলছে আলোচনা ও বিশ্লেষণ

Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৫৮:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৮ Time View

নেত্রকোনা-১ আসনে ভোটের হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলছে আলোচনা ও বিশ্লেষণ

সোহেল খান দূর্জয় নেত্রকোনা

: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নেত্রকোনা-১ আসনে ভোটের হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলছে আলোচনা ও বিশ্লেষণ। এই আসনে লড়ছেন ছয় প্রার্থী। দুই প্রতীকে মূল লড়াই হবে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, কলমাকান্দা ও দুর্গাপুর নিয়ে গঠিত নেত্রকোনা-১ আসন। এখানে ভোটার সংখ্যা চার লাখ ৫৬ হাজার ১৮২ জন। এই আসনে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর ছয় প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন–বিএনপির ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (ধানের শীষ), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের গোলাম রব্বানী (রিকশা), জাতীয় পার্টির আনোয়ার হোসেন খান (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুল মান্নান (হাতপাখা),বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির আলকাছ উদ্দিন মীর (কাস্তে) এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল–জেএসডির বেলাল হোসেন (তারা)। মাঠ পর্যায়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতিদ্বন্দ্বিতা কার্যত সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে বিএনপির ধানের শীষ ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রিকশা প্রতীকের মধ্যে। বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আইনবিষয়ক সম্পাদক। দীর্ঘদিন ধরে আইনি সহায়তা, মানবাধিকার ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এলাকায় পরিচিত মুখ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই তিনি নিয়মিত উঠান বৈঠক, পথসভা ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তাঁর নির্বাচনী প্রচারে শিক্ষিত বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান, সীমান্ত এলাকার উন্নয়ন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি গুরুত্ব পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ভোটাররা।

অন্যদিকে, ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের শরিক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হিসেবে রিকশা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে নেমেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও কলমাকান্দা উপজেলা পরিষদের দুইবারের চেয়ারম্যান গোলাম রব্বানী। আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টিসহ একাধিক দল ঘুরে এবার খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হওয়ায় তাঁকে ঘিরে এলাকায় দলবদলের রাজনীতি নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা রয়েছে। নেত্রকোনা-১ আসনে আদিবাসী ও সংখ্যালঘু ভোটাররা একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হিসেবে বিবেচিত। দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা উপজেলায় গারো, হাজং, কোচসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোটার রয়েছেন। বিশেষ করে দুর্গাপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী ইউনিয়নগুলোতে এসব জনগোষ্ঠীর ভোটার সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। যদিও সরকারি সূত্রে আদিবাসী বা সংখ্যালঘু ভোটারদের আলাদা কোনো হালনাগাদ পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয় না, নির্বাচনী ফলে তাদের ভোট গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনীতি সচেতন অনেকে। এবারের নির্বাচনে সীমান্তবর্তী এলাকার ভোটারদের মধ্যে আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি। কলমাকান্দা ও দুর্গাপুরের সীমান্তবর্তী অঞ্চলের অনেক ভোটারের শঙ্কা– ধর্মীয় কট্টরপন্থি রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় এলে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটতে পারে। স্থানীয়দের ভাষ্য, সীমান্ত বাণিজ্য, কৃষিপণ্য পরিবহন, যাতায়াত, এমনকি পারিবারিক ও সামাজিক যোগাযোগের ওপর সরাসরি প্রভাব পড়বে।

পরিচয় গোপন রাখার শর্তে সীমান্ত এলাকার একজন বলেন, তারা এমন সরকার চান, যারা প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখবে। সম্পর্ক খারাপ হলে সমস্যায় পড়তে হয় তাদের মতো সীমান্তের মানুষদেরই। এই বাস্তবতা বিবেচনায় সীমান্তবর্তী ভোটারদের একটি অংশ তুলনামূলক ভাবে এগিয়ে রাখছেন বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে। তাদের মতে, জাতীয় রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে বিএনপির অভিজ্ঞতা এবং ব্যারিস্টার কায়সার কামালের আইন ও নীতিনির্ধারণমূলক ভূমিকা তাঁকে এই আসনে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। সব মিলিয়ে স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের ধারণা, নেত্রকোনা-১ আসনে এবারের নির্বাচন হবে উৎসবমুখর। আদিবাসী ও সংখ্যালঘু ভোটার, সীমান্তবাসীর ভাবনা এবং তরুণ ভোটারদের সিদ্ধান্তই শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী ফলে বড় প্রভাব রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। ভোটারদের রায় কোন প্রতীকের পক্ষে যাবে– তা নির্ধারিত হবে ভোটের দিনই। রিকশা প্রতীকের প্রার্থী গোলাম রব্বানী বলেন, তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের সব সিদ্ধান্তই ছিল জনকল্যাণের উদ্দেশ্যে। সীমান্তবাসীর জীবন-জীবিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বৈরিতা নয়, বরং সুসম্পর্ক বজায় রেখেই চলতে চান তিনি। পাশাপাশি সংখ্যালঘু ও আদিবাসী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সমানভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেন। সব মিলিয়ে গোলাম রব্বানী আশা প্রকাশ করে বলেন, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হলে তিনি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন। ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার কায়সার কামালের ভাষ্য, তিনি দল-মত, জাতি ও ধর্ম নির্বিশেষে এলাকার মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। নিজ অর্থায়নে স্বাস্থ্যসেবা, যাতায়াত সুবিধায় কাঠের সেতু নির্মাণসহ সামাজিক কর্মকাণ্ড করেছেন। নিয়মিত গণসংযোগে ভোটারদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছেন তিনি। অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে এবং সে ক্ষেত্রে তিনি জনগণের রায়ের প্রতি আস্থাশীল।

 

০৮/০২/২০২৬ ইং

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

নেত্রকোনা-১ আসনে ভোটের হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলছে আলোচনা ও বিশ্লেষণ

Update Time : ০৭:৫৮:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নেত্রকোনা-১ আসনে ভোটের হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলছে আলোচনা ও বিশ্লেষণ

সোহেল খান দূর্জয় নেত্রকোনা

: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নেত্রকোনা-১ আসনে ভোটের হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলছে আলোচনা ও বিশ্লেষণ। এই আসনে লড়ছেন ছয় প্রার্থী। দুই প্রতীকে মূল লড়াই হবে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, কলমাকান্দা ও দুর্গাপুর নিয়ে গঠিত নেত্রকোনা-১ আসন। এখানে ভোটার সংখ্যা চার লাখ ৫৬ হাজার ১৮২ জন। এই আসনে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর ছয় প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন–বিএনপির ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (ধানের শীষ), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের গোলাম রব্বানী (রিকশা), জাতীয় পার্টির আনোয়ার হোসেন খান (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুল মান্নান (হাতপাখা),বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির আলকাছ উদ্দিন মীর (কাস্তে) এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল–জেএসডির বেলাল হোসেন (তারা)। মাঠ পর্যায়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতিদ্বন্দ্বিতা কার্যত সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে বিএনপির ধানের শীষ ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রিকশা প্রতীকের মধ্যে। বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আইনবিষয়ক সম্পাদক। দীর্ঘদিন ধরে আইনি সহায়তা, মানবাধিকার ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এলাকায় পরিচিত মুখ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই তিনি নিয়মিত উঠান বৈঠক, পথসভা ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তাঁর নির্বাচনী প্রচারে শিক্ষিত বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান, সীমান্ত এলাকার উন্নয়ন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি গুরুত্ব পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ভোটাররা।

অন্যদিকে, ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের শরিক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হিসেবে রিকশা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে নেমেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও কলমাকান্দা উপজেলা পরিষদের দুইবারের চেয়ারম্যান গোলাম রব্বানী। আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টিসহ একাধিক দল ঘুরে এবার খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হওয়ায় তাঁকে ঘিরে এলাকায় দলবদলের রাজনীতি নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা রয়েছে। নেত্রকোনা-১ আসনে আদিবাসী ও সংখ্যালঘু ভোটাররা একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হিসেবে বিবেচিত। দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা উপজেলায় গারো, হাজং, কোচসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোটার রয়েছেন। বিশেষ করে দুর্গাপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী ইউনিয়নগুলোতে এসব জনগোষ্ঠীর ভোটার সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। যদিও সরকারি সূত্রে আদিবাসী বা সংখ্যালঘু ভোটারদের আলাদা কোনো হালনাগাদ পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয় না, নির্বাচনী ফলে তাদের ভোট গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনীতি সচেতন অনেকে। এবারের নির্বাচনে সীমান্তবর্তী এলাকার ভোটারদের মধ্যে আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি। কলমাকান্দা ও দুর্গাপুরের সীমান্তবর্তী অঞ্চলের অনেক ভোটারের শঙ্কা– ধর্মীয় কট্টরপন্থি রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় এলে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটতে পারে। স্থানীয়দের ভাষ্য, সীমান্ত বাণিজ্য, কৃষিপণ্য পরিবহন, যাতায়াত, এমনকি পারিবারিক ও সামাজিক যোগাযোগের ওপর সরাসরি প্রভাব পড়বে।

পরিচয় গোপন রাখার শর্তে সীমান্ত এলাকার একজন বলেন, তারা এমন সরকার চান, যারা প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখবে। সম্পর্ক খারাপ হলে সমস্যায় পড়তে হয় তাদের মতো সীমান্তের মানুষদেরই। এই বাস্তবতা বিবেচনায় সীমান্তবর্তী ভোটারদের একটি অংশ তুলনামূলক ভাবে এগিয়ে রাখছেন বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে। তাদের মতে, জাতীয় রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে বিএনপির অভিজ্ঞতা এবং ব্যারিস্টার কায়সার কামালের আইন ও নীতিনির্ধারণমূলক ভূমিকা তাঁকে এই আসনে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। সব মিলিয়ে স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের ধারণা, নেত্রকোনা-১ আসনে এবারের নির্বাচন হবে উৎসবমুখর। আদিবাসী ও সংখ্যালঘু ভোটার, সীমান্তবাসীর ভাবনা এবং তরুণ ভোটারদের সিদ্ধান্তই শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী ফলে বড় প্রভাব রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। ভোটারদের রায় কোন প্রতীকের পক্ষে যাবে– তা নির্ধারিত হবে ভোটের দিনই। রিকশা প্রতীকের প্রার্থী গোলাম রব্বানী বলেন, তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের সব সিদ্ধান্তই ছিল জনকল্যাণের উদ্দেশ্যে। সীমান্তবাসীর জীবন-জীবিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বৈরিতা নয়, বরং সুসম্পর্ক বজায় রেখেই চলতে চান তিনি। পাশাপাশি সংখ্যালঘু ও আদিবাসী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সমানভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেন। সব মিলিয়ে গোলাম রব্বানী আশা প্রকাশ করে বলেন, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হলে তিনি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন। ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার কায়সার কামালের ভাষ্য, তিনি দল-মত, জাতি ও ধর্ম নির্বিশেষে এলাকার মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। নিজ অর্থায়নে স্বাস্থ্যসেবা, যাতায়াত সুবিধায় কাঠের সেতু নির্মাণসহ সামাজিক কর্মকাণ্ড করেছেন। নিয়মিত গণসংযোগে ভোটারদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছেন তিনি। অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে এবং সে ক্ষেত্রে তিনি জনগণের রায়ের প্রতি আস্থাশীল।

 

০৮/০২/২০২৬ ইং