০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাবনার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য শিমুল বিশ্বাসকে মন্ত্রী করার দাবি

Reporter Name
  • Update Time : ০৮:২৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৯ Time View

পাবনার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য শিমুল বিশ্বাসকে মন্ত্রী করার দাবি

আলমগীর কবীর হৃদয়(পাবনা জেলা প্রতিনিধি):-
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর পাবনা সদর আসনে পূর্ণ মন্ত্রী না পাওয়ায় এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য শিমুল বিশ্বাসকে ঘিরে স্বপ্ন দেখছেন পাবনাবাসী।
সদ্যসমাপ্ত সংসদ নির্বাচনে পাবনা-৫ আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে শ্রমিক নেতা শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের জয়ে এবার আশার আলো দেখছেন তারা। যোগ্যতার মাপকাঠিতে শিমুল বিশ্বাসকে সেরা দাবি করে পাবনার উন্নয়নে তাকে মন্ত্রী করার দাবি উঠেছে পাবনার সর্বমহল থেকে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ১৮২৮ সালে জেলা হিসেবে মর্যাদা পায় পাবনা। এই জেলায় পাবনা মানসিক হাসপাতাল সহ বিভিন্ন ঐতিহ্যমণ্ডিত প্রতিষ্ঠান থাকলেও উন্নয়নে একেবারে পিছিয়ে পড়া জেলা পাবনা। স্বাধীনতার পর থেকে যত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে জেলা সদরে তাদের হাত ধরে হয়নি তেমন উন্নয়ন। বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসায়িক প্রসারতা না থাকায় কর্মসংস্থানের অভাব, অবকাঠামো ও রাস্তাঘাটের বেহাল দশা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার নিম্নমান সহ নানাভাবে পিছিয়ে রয়েছেন পাবনাবাসী। দেশের একমাত্র বিশেষায়িত মানসিক হাসপাতাল থাকলেও সেটির দশাও বেহাল। জনবল ও বরাদ্দ সংকটে ধুঁকে ধুঁকে চলছে স্বাস্থ্যসেবা। নানামুখী জরাজীর্ণতায় যেনো বার্ধক্যে ভূগছে প্রাচীন এই জেলা। এই জরাজীর্ণতা কাটিয়ে উন্নয়নের আধুনিক সুযোগ সুবিধার নগরী হিসেবে পরিচিতি পেতে চান পাবনাবাসী। তাই নেতৃত্বের যোগ্যতা ও দক্ষতায় শ্রমিক নেতা শিমুল বিশ্বাসকে ত্রয়োদশ সংসদের মন্ত্রণালয়ে পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান তারা।
বিএনপির কর্মী-সমর্থকরা বলছেন, ২০০২ সালে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শিমুল বিশ্বাস। একটি লোকসানগ্রস্থ প্রতিষ্ঠানকে তিনি দক্ষতা, সততা ও দূরদর্শিতার মাধ্যমে লাভজনক অবস্থানে নিয়ে আসেন। তাঁর উদ্যোগে পাবনা থেকে ঢাকার যোগাযোগব্যবস্থায় এসেছিল নতুন দিগন্ত। নৌপথ ও ফেরিঘাট সংস্কারে তার ভূমিকা উল্লেখ করার মত। দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতা, ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা মামলার মধ্যেও তিনি তার বিশ্বাস ও কর্মপন্থা থেকে বিচ্যুত হননি ।রাজনীতির বাইরে আঞ্চলিকভাবে তিনি একজন মানবসেবক হিসেবে পরিচিত। নিজের পরিবারের নামে ‘আলহাজ্ব আহেদ আলী বিশ্বাস মানব কল্যাণ ট্রাস্ট’প্রতিষ্ঠা করেছেন’। নিজেদের দান করা প্রায় ১১০ একর জমিতে এ ট্রাস্টের আওতায় গড়ে তুলেছেন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, ঈদগাহ, কারিগরি কলেজ, পাঠাগার ও এতিমখানা। এ পর্যন্ত ৩ হাজার ৬০০ টিরও বেশি গৃহহীন পরিবার পেয়েছে আশ্রয়, ৩ হাজারের বেশি মানুষ পেয়েছে কর্মসংস্থানের সুযোগ। তিনি ১১০টিরও বেশি মসজিদ ও মাদ্রাসা নির্মাণ করেছেন। এছাড়া রাজনৈতিক জীবনে তিনি পরিবহন খাত ও রাজনৈতিক পরিসরে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সব সময় অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছেন।
জেলা বিএনপির সদস্য সেলিম সরদার বলেন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে একটি অবাধ নির্বাচনের দাবিতে যখন আন্দোলন চলছিল। তখন পাবনার বিএনপিতে বিভাজনের রাজনীতি শুরু হয়। এসময় সমন্বয়ক হয়ে আন্দোলনের গতি বাড়াতে হাল ধরেন শিমুল বিশ্বাস। এই নির্বাচনকে ঘিরে অন্যান্য নির্বাচনী এলাকায় অনৈক্য দেখা গেছে। কিন্তু শিমুল বিশ্বাসকে মনোনয়ন দেবার পর তিনি সবাইকে এক ছাতার নিচে এনে ধানের শীষকে বিজয়ী করেছেন। তিনি মন্ত্রী হওয়ার যোগ্য।
পাবনা নাগরিক কমিটির কো-চেয়ারম্যান ও পাবনা পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম বিশু বলেন, শিমুল বিশ্বাসকে মন্ত্রী সভায় ঠাঁই দিলে পাবনার মানুষকে সম্মান দেওয়া হবে।
পাবনা নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক বাশার খান জুয়েল বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে পাবনা সদর আসনে মন্ত্রীত্ব পাওয়ার মত তেমন যোগ্য নেতা পাওয়া যায়নি। এ কারনে হয়তো মন্ত্রী করা হয়নি। পুরনো একটা জেলা হওয়া সত্ত্বেও অবহেলিত এই শহর। জোটের কারণে এই আসনে বিএনপির যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিতে না পারলেও এবার দলমত নির্বিশেষে শিমুল বিশ্বাসের প্রতি সবাই আস্থা রেখেছেন
পাবনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আকতারুজ্জার আখতার বলেন পাবনার সব শ্রেণিপেশার মানুষ শিমুল বিশ্বাস কে মন্ত্রী হিসাবে দেখতে চায় এবং সম্পাদক জহুরুল ইসলাম বলেন, পাবনাবাসীর ভাগ্য উন্নয়নের জন্য আমরা শিমুল বিশ্বাসকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই। একজন সৎ ও যোগ্য নেতা হিসেবে তিনি শুধু পাবনার না পুরা বাংলাদেশে অবহেলিত মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের ভূমিকা রাখবেন।
এডওয়ার্ড কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক রুহুল আমিন বলেন, মানবিকবোধ ও ব্যক্তিত্বের কারণে সব দলমতের মানুষের কাছে শিমুল বিশ্বাসের ভিন্ন রকমের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তিনি মন্ত্রীত্ব পাওয়ার যোগ্য।
পাবনা মোটর মালিক গ্রুপের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসনে রেয়ন বলেন, বিগত সময়ে পরিবহন খাতে যেসব সমস্যা ছিল, তা নিয়ে আমরা তার দারস্থ হয়েছি। তিনি তা অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে সমাধান করেছেন। তিনি মন্ত্রী হলে পাবনার আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হবে।
পাবনার সাংস্কৃতিক সংগঠন উত্তরণ পাবনার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবি, গীতিকার, সংগঠক ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট পাবনার যুগ্ম সম্পাদক আলমগীর কবীর হৃদয় বলেন বাংলাদেশের মধ্যে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক চর্চার উর্বর ভূমি খ্যাত এই পাবনার সাংস্কৃতিক চর্চার দীর্ঘ বছরের দৈন্যদশা একমাত্র শিমুল বিশ্বাস যেভাবে উপলব্ধি করতে পারেন এবং সকল সামাজিক সংগঠন কে একসাথে করে দলমতের উর্ধে থেকে পাবনার সাংস্কৃতিক চর্চা বিশ্ববুকে তুলে ধরতে চান সেই চাওয়া বাস্তবায়নের জন্য শিমুল বিশ্বাস কে আমরা পূর্ণ মন্ত্রী হিসাবে দেখতে চাই।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

পাবনার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য শিমুল বিশ্বাসকে মন্ত্রী করার দাবি

Update Time : ০৮:২৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পাবনার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য শিমুল বিশ্বাসকে মন্ত্রী করার দাবি

আলমগীর কবীর হৃদয়(পাবনা জেলা প্রতিনিধি):-
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর পাবনা সদর আসনে পূর্ণ মন্ত্রী না পাওয়ায় এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য শিমুল বিশ্বাসকে ঘিরে স্বপ্ন দেখছেন পাবনাবাসী।
সদ্যসমাপ্ত সংসদ নির্বাচনে পাবনা-৫ আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে শ্রমিক নেতা শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের জয়ে এবার আশার আলো দেখছেন তারা। যোগ্যতার মাপকাঠিতে শিমুল বিশ্বাসকে সেরা দাবি করে পাবনার উন্নয়নে তাকে মন্ত্রী করার দাবি উঠেছে পাবনার সর্বমহল থেকে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ১৮২৮ সালে জেলা হিসেবে মর্যাদা পায় পাবনা। এই জেলায় পাবনা মানসিক হাসপাতাল সহ বিভিন্ন ঐতিহ্যমণ্ডিত প্রতিষ্ঠান থাকলেও উন্নয়নে একেবারে পিছিয়ে পড়া জেলা পাবনা। স্বাধীনতার পর থেকে যত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে জেলা সদরে তাদের হাত ধরে হয়নি তেমন উন্নয়ন। বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসায়িক প্রসারতা না থাকায় কর্মসংস্থানের অভাব, অবকাঠামো ও রাস্তাঘাটের বেহাল দশা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার নিম্নমান সহ নানাভাবে পিছিয়ে রয়েছেন পাবনাবাসী। দেশের একমাত্র বিশেষায়িত মানসিক হাসপাতাল থাকলেও সেটির দশাও বেহাল। জনবল ও বরাদ্দ সংকটে ধুঁকে ধুঁকে চলছে স্বাস্থ্যসেবা। নানামুখী জরাজীর্ণতায় যেনো বার্ধক্যে ভূগছে প্রাচীন এই জেলা। এই জরাজীর্ণতা কাটিয়ে উন্নয়নের আধুনিক সুযোগ সুবিধার নগরী হিসেবে পরিচিতি পেতে চান পাবনাবাসী। তাই নেতৃত্বের যোগ্যতা ও দক্ষতায় শ্রমিক নেতা শিমুল বিশ্বাসকে ত্রয়োদশ সংসদের মন্ত্রণালয়ে পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান তারা।
বিএনপির কর্মী-সমর্থকরা বলছেন, ২০০২ সালে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শিমুল বিশ্বাস। একটি লোকসানগ্রস্থ প্রতিষ্ঠানকে তিনি দক্ষতা, সততা ও দূরদর্শিতার মাধ্যমে লাভজনক অবস্থানে নিয়ে আসেন। তাঁর উদ্যোগে পাবনা থেকে ঢাকার যোগাযোগব্যবস্থায় এসেছিল নতুন দিগন্ত। নৌপথ ও ফেরিঘাট সংস্কারে তার ভূমিকা উল্লেখ করার মত। দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতা, ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা মামলার মধ্যেও তিনি তার বিশ্বাস ও কর্মপন্থা থেকে বিচ্যুত হননি ।রাজনীতির বাইরে আঞ্চলিকভাবে তিনি একজন মানবসেবক হিসেবে পরিচিত। নিজের পরিবারের নামে ‘আলহাজ্ব আহেদ আলী বিশ্বাস মানব কল্যাণ ট্রাস্ট’প্রতিষ্ঠা করেছেন’। নিজেদের দান করা প্রায় ১১০ একর জমিতে এ ট্রাস্টের আওতায় গড়ে তুলেছেন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ, ঈদগাহ, কারিগরি কলেজ, পাঠাগার ও এতিমখানা। এ পর্যন্ত ৩ হাজার ৬০০ টিরও বেশি গৃহহীন পরিবার পেয়েছে আশ্রয়, ৩ হাজারের বেশি মানুষ পেয়েছে কর্মসংস্থানের সুযোগ। তিনি ১১০টিরও বেশি মসজিদ ও মাদ্রাসা নির্মাণ করেছেন। এছাড়া রাজনৈতিক জীবনে তিনি পরিবহন খাত ও রাজনৈতিক পরিসরে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সব সময় অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছেন।
জেলা বিএনপির সদস্য সেলিম সরদার বলেন, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে একটি অবাধ নির্বাচনের দাবিতে যখন আন্দোলন চলছিল। তখন পাবনার বিএনপিতে বিভাজনের রাজনীতি শুরু হয়। এসময় সমন্বয়ক হয়ে আন্দোলনের গতি বাড়াতে হাল ধরেন শিমুল বিশ্বাস। এই নির্বাচনকে ঘিরে অন্যান্য নির্বাচনী এলাকায় অনৈক্য দেখা গেছে। কিন্তু শিমুল বিশ্বাসকে মনোনয়ন দেবার পর তিনি সবাইকে এক ছাতার নিচে এনে ধানের শীষকে বিজয়ী করেছেন। তিনি মন্ত্রী হওয়ার যোগ্য।
পাবনা নাগরিক কমিটির কো-চেয়ারম্যান ও পাবনা পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম বিশু বলেন, শিমুল বিশ্বাসকে মন্ত্রী সভায় ঠাঁই দিলে পাবনার মানুষকে সম্মান দেওয়া হবে।
পাবনা নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক বাশার খান জুয়েল বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে পাবনা সদর আসনে মন্ত্রীত্ব পাওয়ার মত তেমন যোগ্য নেতা পাওয়া যায়নি। এ কারনে হয়তো মন্ত্রী করা হয়নি। পুরনো একটা জেলা হওয়া সত্ত্বেও অবহেলিত এই শহর। জোটের কারণে এই আসনে বিএনপির যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিতে না পারলেও এবার দলমত নির্বিশেষে শিমুল বিশ্বাসের প্রতি সবাই আস্থা রেখেছেন
পাবনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আকতারুজ্জার আখতার বলেন পাবনার সব শ্রেণিপেশার মানুষ শিমুল বিশ্বাস কে মন্ত্রী হিসাবে দেখতে চায় এবং সম্পাদক জহুরুল ইসলাম বলেন, পাবনাবাসীর ভাগ্য উন্নয়নের জন্য আমরা শিমুল বিশ্বাসকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই। একজন সৎ ও যোগ্য নেতা হিসেবে তিনি শুধু পাবনার না পুরা বাংলাদেশে অবহেলিত মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের ভূমিকা রাখবেন।
এডওয়ার্ড কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক রুহুল আমিন বলেন, মানবিকবোধ ও ব্যক্তিত্বের কারণে সব দলমতের মানুষের কাছে শিমুল বিশ্বাসের ভিন্ন রকমের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তিনি মন্ত্রীত্ব পাওয়ার যোগ্য।
পাবনা মোটর মালিক গ্রুপের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসনে রেয়ন বলেন, বিগত সময়ে পরিবহন খাতে যেসব সমস্যা ছিল, তা নিয়ে আমরা তার দারস্থ হয়েছি। তিনি তা অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে সমাধান করেছেন। তিনি মন্ত্রী হলে পাবনার আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হবে।
পাবনার সাংস্কৃতিক সংগঠন উত্তরণ পাবনার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবি, গীতিকার, সংগঠক ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট পাবনার যুগ্ম সম্পাদক আলমগীর কবীর হৃদয় বলেন বাংলাদেশের মধ্যে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক চর্চার উর্বর ভূমি খ্যাত এই পাবনার সাংস্কৃতিক চর্চার দীর্ঘ বছরের দৈন্যদশা একমাত্র শিমুল বিশ্বাস যেভাবে উপলব্ধি করতে পারেন এবং সকল সামাজিক সংগঠন কে একসাথে করে দলমতের উর্ধে থেকে পাবনার সাংস্কৃতিক চর্চা বিশ্ববুকে তুলে ধরতে চান সেই চাওয়া বাস্তবায়নের জন্য শিমুল বিশ্বাস কে আমরা পূর্ণ মন্ত্রী হিসাবে দেখতে চাই।