০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজশাহী জেলা: বিপুল পরিমাণ আমের মুকুল আসছে, বাণিজ্যিক সম্ভাবনা আরও বাড়ছে

Reporter Name
  • Update Time : ০৫:২৭:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৭ Time View

রাজশাহী জেলা: বিপুল পরিমাণ আমের মুকুল আসছে, বাণিজ্যিক সম্ভাবনা আরও বাড়ছে

প্রতিনিধি: মোঃ শামীম আহমেদ

প্রতিবছরের মতো এ বছরও রাজশাহী অঞ্চলের আমের গাছগুলোতে বিপুল পরিমাণ মুকুল আসছে, যা গ্রীষ্মকালীন আমের সফল উৎপাদনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। রাজশাহী পাবনা অঞ্চলের বিভিন্ন ইউনিয়নে বিশেষত অষ্টমনিষা, ভাঙ্গুড়া, দিলপাশার, খানমরিচ, পারভাঙ্গুড়া এবং মন্ডতোষ ইউনিয়নে আমের মুকুলের ব্যাপক উপস্থিতি স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি করেছে।রাজশাহীর আম দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক বাজারেও স্বীকৃত। বিশেষ করে হিমসাগর, ল্যাংড়া, আশ্বিনা, ফজলি, গোপালভোগ, আম্রপালি প্রভৃতি আমের জাতগুলো বিশ্বের নানা দেশে রপ্তানি হয়। এসব জাতের আমের গাছগুলোর মুকুল আসার ফলে কৃষকদের মধ্যে আশা-আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যদি আবহাওয়া অনুকূলে থাকে এবং সঠিক সময় নায্য যত্ন নেয়া হয়, তবে আমের ফলনও এবছর হবে আশাতীত।
এক নজরে ইউনিয়নগুলো: ১. অষ্টমনিষা ইউনিয়ন।এই ইউনিয়নগুলোতে কৃষকরা নিজেরা বা স্থানীয় চাষী গোষ্ঠী দ্বারা আম চাষ করে থাকে। বিশেষত এই অঞ্চলে আম উৎপাদন একটি গুরুত্বপূর্ণ কৃষি কর্মকাণ্ড, যা স্থানীয় অর্থনীতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।রাজশাহীর আমের বিশেষত্ব হলো এর মিষ্টতা এবং সুগন্ধ, যা বাজারে সহজেই সাড়া ফেলতে সক্ষম। এছাড়া, এই আমের গুণগত মান ও বাজারদরের কারণে বিদেশেও রাজশাহীর আমের জনপ্রিয়তা অনেক বাড়ছে। তাই স্থানীয় কৃষকদের মনে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখা দিয়েছে।কৃষকদের মতামত:এ বিষয়ে এলাকার কৃষকরা বলছেন, “মুকুল আসার পর আমরা আশাবাদী যে, এবছর ভালো ফলন হবে। যদি আবহাওয়া অনুকূল থাকে এবং কৃষি বিভাগের সহায়তা মেলে, তবে এই অঞ্চলের আম উৎপাদন আরও ভালো হবে।”
এছাড়া, স্থানীয় আম ব্যবসায়ী মেজর আহমেদ জানান, “এবছরের মুকুল দেখে মনে হচ্ছে, গত বছরের তুলনায় আমের ফলন অনেক বেশি হবে। আমরা ইতোমধ্যে প্রস্তুতি নিচ্ছি, যাতে সঠিক সময়ে আম বাজারে আসতে পারে।”

রাজশাহী অঞ্চলের এই আমের মুকুল আসার খবর কৃষকদের জন্য যেমন সুখবর, তেমনি এলাকার অর্থনীতির জন্যও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। আমের এই মৌসুমে যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে, তবে সবার মধ্যে খুশির জোয়ার আসবে এবং বাংলাদেশের অন্যতম সেরা আম উৎপাদনকারী অঞ্চল হিসেবে রাজশাহী আরও একধাপ এগিয়ে যাবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

রাজশাহী জেলা: বিপুল পরিমাণ আমের মুকুল আসছে, বাণিজ্যিক সম্ভাবনা আরও বাড়ছে

Update Time : ০৫:২৭:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজশাহী জেলা: বিপুল পরিমাণ আমের মুকুল আসছে, বাণিজ্যিক সম্ভাবনা আরও বাড়ছে

প্রতিনিধি: মোঃ শামীম আহমেদ

প্রতিবছরের মতো এ বছরও রাজশাহী অঞ্চলের আমের গাছগুলোতে বিপুল পরিমাণ মুকুল আসছে, যা গ্রীষ্মকালীন আমের সফল উৎপাদনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। রাজশাহী পাবনা অঞ্চলের বিভিন্ন ইউনিয়নে বিশেষত অষ্টমনিষা, ভাঙ্গুড়া, দিলপাশার, খানমরিচ, পারভাঙ্গুড়া এবং মন্ডতোষ ইউনিয়নে আমের মুকুলের ব্যাপক উপস্থিতি স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি করেছে।রাজশাহীর আম দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক বাজারেও স্বীকৃত। বিশেষ করে হিমসাগর, ল্যাংড়া, আশ্বিনা, ফজলি, গোপালভোগ, আম্রপালি প্রভৃতি আমের জাতগুলো বিশ্বের নানা দেশে রপ্তানি হয়। এসব জাতের আমের গাছগুলোর মুকুল আসার ফলে কৃষকদের মধ্যে আশা-আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যদি আবহাওয়া অনুকূলে থাকে এবং সঠিক সময় নায্য যত্ন নেয়া হয়, তবে আমের ফলনও এবছর হবে আশাতীত।
এক নজরে ইউনিয়নগুলো: ১. অষ্টমনিষা ইউনিয়ন।এই ইউনিয়নগুলোতে কৃষকরা নিজেরা বা স্থানীয় চাষী গোষ্ঠী দ্বারা আম চাষ করে থাকে। বিশেষত এই অঞ্চলে আম উৎপাদন একটি গুরুত্বপূর্ণ কৃষি কর্মকাণ্ড, যা স্থানীয় অর্থনীতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।রাজশাহীর আমের বিশেষত্ব হলো এর মিষ্টতা এবং সুগন্ধ, যা বাজারে সহজেই সাড়া ফেলতে সক্ষম। এছাড়া, এই আমের গুণগত মান ও বাজারদরের কারণে বিদেশেও রাজশাহীর আমের জনপ্রিয়তা অনেক বাড়ছে। তাই স্থানীয় কৃষকদের মনে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখা দিয়েছে।কৃষকদের মতামত:এ বিষয়ে এলাকার কৃষকরা বলছেন, “মুকুল আসার পর আমরা আশাবাদী যে, এবছর ভালো ফলন হবে। যদি আবহাওয়া অনুকূল থাকে এবং কৃষি বিভাগের সহায়তা মেলে, তবে এই অঞ্চলের আম উৎপাদন আরও ভালো হবে।”
এছাড়া, স্থানীয় আম ব্যবসায়ী মেজর আহমেদ জানান, “এবছরের মুকুল দেখে মনে হচ্ছে, গত বছরের তুলনায় আমের ফলন অনেক বেশি হবে। আমরা ইতোমধ্যে প্রস্তুতি নিচ্ছি, যাতে সঠিক সময়ে আম বাজারে আসতে পারে।”

রাজশাহী অঞ্চলের এই আমের মুকুল আসার খবর কৃষকদের জন্য যেমন সুখবর, তেমনি এলাকার অর্থনীতির জন্যও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। আমের এই মৌসুমে যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে, তবে সবার মধ্যে খুশির জোয়ার আসবে এবং বাংলাদেশের অন্যতম সেরা আম উৎপাদনকারী অঞ্চল হিসেবে রাজশাহী আরও একধাপ এগিয়ে যাবে।