রৌমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩ কৃতি সন্তানসহ ৭ নতুন চিকিৎসক: বদলে যাবে সেবার মান”
- Update Time : ০৮:৪৭:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ১ Time View

“রৌমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩ কৃতি সন্তানসহ ৭ নতুন চিকিৎসক: বদলে যাবে সেবার মান”
কে,এম,জাকির
রৌমারী(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি
রৌমারী উপজেলাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এবং চিকিৎসক সংকট কাটাতে একযোগে সাতজন নতুন চিকিৎসক রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদান করেছেন। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) যোগদানকৃত এই নবীন চিকিৎসকদের ফুল দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান রৌমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব আলাউদ্দিন। এই উদ্যোগের ফলে চরাঞ্চল বেষ্টিত এই উপজেলার চিকিৎসা সেবায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নিজ এলাকার সন্তানদের সেবার সুযোগ
সবচেয়ে আনন্দের বিষয় হলো, এই সাতজন চিকিৎসকের মধ্যে তিনজনেই রৌমারীর কৃতি সন্তান। তারা হলেন—
ডাঃ মোঃ ফুয়াদ আল জাবির (ইছাকুড়ি গ্রাম)
ডাঃ মোঃ আজাদ হোসাইন (দাঁতভাংগা গ্রাম)
ডাঃ মোঃ আমিরুল ইসলাম (কর্তিমারী)
এছাড়াও সেবার ব্রত নিয়ে যুক্ত হয়েছেন ডাঃ মোঃ ইসতেখার, ডাঃ মোঃ মেহেদী হাসান, ডাঃ মোঃ মিনহাজুল কাদির এবং ডাঃ মোঃ উজ্জল মিয়া। নিজ এলাকার মাটি ও মানুষের সাথে নাড়ির টান থাকায় স্থানীয় তিন চিকিৎসকের যোগদান সাধারণ রোগীদের মনে বাড়তি আত্মবিশ্বাস ও স্বস্তি জোগাচ্ছে। দীর্ঘদিনের সংকট নিরসন
কুড়িগ্রামের সীমান্তবর্তী ও দুর্গম উপজেলা হিসেবে রৌমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বরাবরই চিকিৎসকের শূন্যতা ছিল। ফলে সাধারণ মানুষকে সামান্য চিকিৎসার জন্য নদী পাড়ি দিয়ে জেলা শহরে বা রংপুরে যেতে হতো। বর্তমানে একসাথে সাতজন দক্ষ চিকিৎসক নিয়োগ পাওয়ায় সেই ভোগান্তি অনেকাংশেই লাঘব হবে। জরুরি বিভাগ থেকে শুরু করে আউটডোর এবং ইনডোর সেবার মান বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব আলাউদ্দিন নবীন চিকিৎসকদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “চিকিৎসকগণ সমাজের আলোকবর্তিকা। বিশেষ করে রৌমারীর মতো এলাকায় আপনাদের সেবার প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি। আমরা আশা করি, আপনাদের আন্তরিকতায় রৌমারীবাসী দোরগোড়ায় আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা পাবে।”
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা
এলাকাবাসীর দাবি, চিকিৎসকদের আবাসন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে তারা নিরবচ্ছিন্নভাবে সেবা দিতে পারবেন। রৌমারীর সাধারণ মানুষ এখন বুকভরা আশা নিয়ে তাকিয়ে আছে এই নবীন প্রাণগুলোর দিকে। তারা মনে করছেন, এখন আর চিকিৎসার অভাবে কাউকে পথেই প্রাণ হারাতে হবে না। নতুন এই চিকিৎসকদের আগমনে রৌমারীর স্বাস্থ্য খাতের চিত্র বদলে যাবে এবং তারা মানবিকতার সাথে এই পিছিয়ে পড়া জনপদের মানুষের পাশে থাকবেন—এটাই এখন উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের প্রত্যাশা।













